সুমন গোস্বামী
বাংলা সনের প্রথম দিন, পহেলা বৈশাখ। এ দিনটি বাংলাদেশের নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়। এটি বাঙালির একটি সার্বজনীন লোক উৎসব। এদিন আনন্দঘন পরিবেশ বরণ করে নেওয়া হয় নতুন বছরকে।
কল্যাণ ও নতুন জীবনের প্রতীক হলো নববর্ষ। অতীতের ভুলত্রুটি ও ব্যর্থতার গ্নানি ভুলে নতুন করে সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় এই নববর্ষ। পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসাবে স্বীকৃত দিয়েছে ইউনেস্কো।
ডিসি হিল বা নজরুল স্কোয়ার দুইদিনব্যাপী পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। প্রথম দিন বিকাল থেকে রাত আটটা পর্যন্ত বর্ষবিদায়। দ্বিতীয় দিন সকাল ছয়টা থেকে শুরু হয়ে রাত আটটা পর্যন্ত এক টানা বর্ষবরণের অনুষ্ঠান চলবে।
শহরের সিআরবি শিরীষতলাতেও দুইদিনব্যাপী পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। সঙ্গে আছে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বলিখেলা। রবিবার বিকাল তিনটায় সাহাব উদ্দিনের বলি খেলা অনুষ্ঠিত হবে ।
এই ছাড়া পহেলা বৈশাখকে ঘিরে নগরে চলবে বিভিন্ন সংগঠনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান মালা। এর মধ্যে সকাল দশটায় চবি চারুকলা ইনস্টিটিউট ক্যাম্পাস থেকে শুরু হবে মঙ্গলশোভা যাত্রা। জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে রয়েছে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান।
ফিশারিঘাট নেভাল-২ এলাকা, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকাতেও থাকছে বিভিন্ন আয়োজন। নতুন সাজের পতেঙ্গা সৈকত একসাথে দুই আনন্দ দেবে ভ্রমণ পিপাসুদের।
নগরীর জামালখানে ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে শিশুমেলা’র আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে দিনব্যাপী শিশুদের বর্ষবরণ উৎসব। চতুর্থবারের মত এই আয়োজন করা হয়েছে।
নগরীর পুরনো রেল স্টেশন চত্বরে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অপনালয় ‘আলোর ঠিকানা’য় থাকছে বর্ষবরণের দিনব্যাপী আয়োজনে। বিকেলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন বিখ্যাত বাউল শিল্পী পাগলা বাবলু।
পহেলা বৈশাখ ঘুরতে এসে আরও কিছু জায়গা ঘুরে যেতে পারেন। কাজীদেউরী শিশুপার্ক, বাদশা মিয়ে সড়কে ওয়ার সিমেট্রি, ফয়স লেক ও সাথে চিড়িয়াখানাতে।#